লেখা: সুরাইয়া জান্নাত, উপ-জনসংযোগ সম্পাদক।
কাশফুল নাকি শুভ্রতার প্রতিচ্ছবি!
“শরৎ সেজেছে কাশফুলে থরে বিথরে বালুচরে! সাদা মেঘের শতদল উড়ছে অপরূপা নীলাম্বরে!”
কাশফুল শরৎকালের এক বিশেষ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, যা নদীর ধার, জলাভূমি ও চরাঞ্চলে ফোটে। সাদা তুলোর মতো এই ফুলটি কবিদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে এবং এর অপরূপ শোভা প্রকৃতিকে মুগ্ধ করে তোলে।
শরৎকালের ভাদ্র ও আশ্বিন মাসে (সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর) কাশফুল প্রকৃতিতে এক অনবদ্য সাদারঙা আভা তৈরি করে। সাদা মেঘের সাথে এর তুলনা করা হয়, যা দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন সাদা তুলোর স্তূপ বা কোনো শিল্পীর আঁকা ছবি।
যুগে যুগে কবিদের ছন্দে বারংবার ফুটে উঠেছে কাশফুলের নিমগ্ন সৌন্দর্য। কবি নির্মলেন্দু গুণের লেখায় কাশফুলের সৌন্দর্য বিশেষভাবে ফুটে উঠেছে। কাশফুলকে ঘিরে অনেক কবিতা ও গান রচিত হয়েছে, যা একে বাংলা সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ করে তুলেছে।
নোবিপ্রবির ছোট্ট এই ক্যাম্পাসে বিভিন্ন জায়গায় দেখা যায় এই শুভ্রতার ছোঁয়া। তরুণীরা আনন্দচিত্তে শাড়ি পরিধান করে আসে নিজেদের সৌন্দর্য আর কাশফুলের সৌন্দর্যের মিশ্রণে অনবদ্য ও প্রাণবন্ত মুহূর্তকে মুঠোবন্দি করতে। কি উৎসব উৎসব ভাব থাকে তাতে!! শরতের এই সাদা ফুলে লুকিয়ে আছে শান্তি, নীরবতা আর প্রকৃতির মাঝে চিরন্তন প্রেমের বার্তা।
কাশফুলের এই সৌন্দর্য কেবল চোখে নয়, মনে শান্তি আনে। শিশিরভেজা সকালের হালকা কুয়াশায় কাশফুলের গায়ে রোদের আলো পড়লে যে দৃশ্য তৈরি হয়, তা যেন প্রকৃতির এক নিঃশব্দ কবিতা।







